আপনার যদি খাস জমি রেকর্ড করার নিয়ম জানতে চান তাহলে আজকের পোস্ট মনোযোগ সহকারে পড়ুন। যে সকল জমির কোন মালিকানা নেই সেসব জমিকে খাস জমে বলা হয়। বাংলাদেশে খাস জমির কোন অভাব নেই।
তবে কেউ থাকলে খাস জমে দখল করতে পারবে না। এজন্য বাংলাদেশ সরকারের কিছু নিয়ম কানুন রয়েছে। তাই চলুন, খাস জমি রেকর্ড করার নিয়ম ও সরকারি খাস জমি লিজ নেয়ার নিয়ম সম্পর্কে সঠিক তথ্য জেনে নেই।
খাস জমি রেকর্ড করার শর্তসমূহ
- আবেদনকারীকে অবশ্যই ভূমিহীন অথবা ১০ শতকের কম জমি থাকতে হবে।
- খাস জমির খতিয়ান নাম্বার হতে হবে ০১।
- খাস জমি ৯৯ বছরের জন্য রেকর্ড বা লিস নেওয়া যাবে।
খাস জমি রেকর্ড করার নিয়ম
যেকোন খাস জমি রেকর্ড করতে জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করতে হবে। জেলা প্রশাসক মহোদয় যদি আপনার আবেদন মঞ্জুর করেন তাহলে উপজেলা ভূমি অফিসে এসে নামজারি বা খারিজ করতে হবে।
অতঃপর নামজারি আবেদন সম্পূর্ণ হবার পর ৯৯ বছরের জন্য উক্ত জমি লিজ নিতে পারবেন।
সরকারি খাস জমি লিজ নেয়ার নিয়ম
সরকারি খাস জমি লিজ নিতে প্রথমে আবেদনকারীকে খাস জমি লিজ নেওয়ার যোগ্যতা থাকতে হবে।যদি আপনার লিজ নেওয়ার যোগ্যতা থাকে তাহলে সরাসররি জেলা প্রশাসকের নিবট লিজ নেওয়ার জন্আয বেদন করবেন। তারপর জেলা প্রশাসক মহোদয় আপনার আবেদন মঞ্জুর করলে নামজারি করে ৯৯ বছরের জন্য খাস জমি লিজ নিতে পারবেন।
আরো পড়ুনঃ নামজারি করতে কি কি লাগে
খাস জমি রেকর্ড করতে কত টাকা লাগে?
খাস জমি রেকর্ড করার জন্য সর্বপ্রথম জেলা প্রশাসক/ডিসি মহোদয় বরাবর আবেদন করতে হবে। তারপরে জেলা মহোদয় আবেদন ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করে যদি মঞ্জুর করে। তাহলে উক্ত জমি নামজারি করার জন্য আবেদন করতে হবে।
যেকোনো জমির নামজারি করতে ১,১৭০ টাকা লাগে। এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে পড়ুনঃ নামজারি করতে কত টাকা লাগে
সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর- FAQ’s
খাস জমি কত প্রকার?
খাস জমি প্রধানত চার প্রকার। নদী-নালা রাস্তাঘাট,নদী ভাঙ্গনের ফলে সৃষ্ট খাস জমি, কৃষি ও অকৃষি জমি।
খাস জমির মালিক কে?
বাংলাদেশ সরকার সকল খাস জমির মালিক।
খাস জমি চেনার উপায় কি?
যে সকল জমির ব্যক্তি মালিকানা নেই এবং খতিয়ান নম্বর ০১ সেগুলোই খাস জমি।
খাস জমির খতিয়ান নম্বর কত?
খাস জমির খতিয়ান নম্বর হচ্ছে ০১।
আসসালামু আলাইকুম স্যার আমার নানা ১৯৭৫ সালে এক একর ২৪ ডি জমি সরকারের কাছ থেকে পেয়েছেন ৯৯ বৎসরের জন্য আমার কাছে দলিল আছে কিন্তু জমি জোর করে দখল করে নিয়েছে একজন বেকতি এখন আমার করনিও কি হেপ্প