বায়না দলিলের মেয়াদ কতদিন থাকে | বায়না দলিল রেজিস্ট্রেশন খরচ

যেকোনো জমি ক্রয়-বিক্রয় করার আগে বায়না আদান-প্রদান করলে উভয় পক্ষের মধ্যে বিশ্বাস আরো অটুট থাকে। তবে বায়না দলিলের মেয়াদ কতদিন থাকে তা আমাদের কাছে স্পষ্ট নয়। তাই আজকের পোস্ট থেকে বিস্তারিত তথ্য জেনে নেই।

সচরাচর জমি কেনার আগে কিছু টাকা জমির মালিককে বায়না দিতে হয়। এই বায়না লিখিত আকারে দেওয়া হয় যাতে পরবর্তীতে বায়না পত্রের ভিত্তিতেই মূল দলিল তৈরি হয়। 

সাধারণত বায়না দলিলের মেয়াদ থাকবে ৬ মাস পর্যন্ত। তবে উভয় পক্ষ ইচ্ছা করলে বায়না দলিলের মেয়াদ আরো বৃদ্ধি করতে পারবে। এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে শেষ পর্যন্ত পড়ুন। 

বায়না দলিল কি? 

জমি ক্রয় করার লক্ষ্যে মূল্য বাবদ আংশিক কিছু টাকা জমির মালিক পক্ষকে দিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে যে লিখিত যে চুক্তি হয় তাকে বায়না পত্র বা বায়না দলিল বলা হয়। 

আরও পড়ুন — জমি ক্রয়ের ক্ষেত্রে করণীয়

বায়না দলিলের মেয়াদ কতদিন থাকে?

আমাদের দেশের ভূমি আইন অনুযায়ী, বায়না দলিলের কোন মেয়াদ বা সময়সীমা উল্লেখ করার বিষয়ে কোন বাধ্যবাধকতা নেই। কারণ এর মেয়াদ উভয় পক্ষের সম্মতিক্রমে হয়ে থাকে। 

সাধারণত বায়না দলিলের সময়সীমা ৬ মাস পর্যন্ত হয়ে থাকে। আবার কোন পক্ষ সময়সীমা বাড়াতে চাইলে উভয় পক্ষের সম্মতিক্রমে মেয়াদ বৃদ্ধি করতে পারবে। 

বায়না দলিলের মেয়াদ বৃদ্ধি করার উপায়

যদি কোন কারণে ক্রেতা বা বিক্রেতা পক্ষ বায়না দলিল এর মেয়াদ বৃদ্ধি করতে চায় তাহলে উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতা তৈরি করে লিখিত আকারে ৬ মাস বা ১ বছর সময় বাড়ানো যাবে। 

তবে এক্ষেত্রে উভয় পক্ষের সম্মতি এবং সহযোগিতা লাগবে। সেই সাথে ইচ্ছা করলে আবারো লিখিত চুক্তি করতে পারবে। 

আরও পড়ুন — জমির পরিমাপ শতাংশ হিসাব বের করার সূত্র

বায়না দলিলের মেয়াদ শেষ হলে করণীয় কি?

বাংলাদেশে বায়না দলিলের সময়সীমা ৬ মাস হয়ে থাকে। কোন কারণে এর মেয়াদ যদি উত্তীর্ণ হয়ে যায় সেক্ষেত্রে দু’পক্ষের মধ্যে আবারো লিখিত/অলিখিত চুক্তি করে সময়সীমা বৃদ্ধি করা।

এই সম্পর্কিত আরও পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *